
স্টাফ রিপোর্টারসঃ- অন্য প্রার্থীদের তুলনায় বয়সের দিক থেকে তরুণ তিনি। ভোটের মাঠে সৈয়দ ইফতেখার আহসান (হাসান) এর আস্থার জায়গাও সেই তারুণ্যরাই।
হাসান জাতীয় পার্টির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক এবং সদ্য বিদায়ী জাতীয় ছাত্রসমাজ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি। ছাত্রসমাজের সভাপতির দায়িত্বে থাকা অবস্থায় হাসান সারা দেশ চষে বেড়িয়েছেন। দেশের সবকটি নগর সহ ৬৫ টি ইউনিটে প্রতেকটিতে জমকালো সম্মেলনের মাধ্যমে ছাত্রসমাজের পতাকা তুলেছেন হাসান। এই বিষয়ে হাসান সংক্ষিপ্ত ভাবে বলেন, সারাদেশব্যপী আমার হাতে গড়া ছাত্রসমাজ একাদশ নির্বাচনী মাঠে জাতীয় পার্টির প্রধান নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করবে।
ছাত্রসমাজের দায়িত্বে থাকাবস্থায়ও হাসান তার নিজ নির্বাচনী প্রস্তুতি হিসেবে ৪ বছর যাবৎ কুমিল্লা-১ মেঘনা-দাউদকান্দি এলাকাজুড়ে তরুনদের নিয়ে পথসভা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে দফায়দফায় উঠানবৈঠক,সামাজিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক অনুষ্ঠান গুলোতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ সহ আন্তরিক ভাবে জাতীয়পার্টি,যুবসংহতি, ছাত্রসমাজ, মহিলা পার্টি সহ সকল সংগঠনের পরিচর্যা করে যাচ্ছেন হাসান । পাড়া মহল্লায় শতাধিক তরুন নিয়মিত এরশাদি উন্নয়নকালের তথ্যাদি প্রচার করে যাচ্ছেন । এসব তরুনরা অল্প কথায় জনগণের কাছে এরশাদি বার্তা পৌছে দিচ্ছেন। হাসান এই ব্যাপারে বলেছেন, মাঠপর্যায়ে এই তারুণ্যের ওপর ভর করেই ভোটযুদ্ধে বিজয় লাভ করবো আমি। শিক্ষিত তরুণ ছাত্রসমাজ একাদশ নির্বাচনে আমাকে সংসদে আসীন করতে বড় ভূমিকা
রাখবে এমনটাই আশাবাদী আমি ।
এছাড়াও, অত্র এলাকা কুমিল্লা-১ (মেঘনা-দাউদকান্দি) এর অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি বললেই চলে। কিছু মূল সড়ক ছাড়া এলাকার বেশির ভাগ সড়কের অবস্থা করুণ। কিছু রাস্তা চলাচলেরও উপযুক্তও নয়।
এহেন দশায় নিজ এলাকার নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে অধিকারবঞ্চিত ও অনুন্নত এলাকার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন হাসান । সংসদসদস্য হিসেবে
নির্বাচিত হলে এলাকার সমাজ ব্যবস্থার সকল পর্যায়ে আধুনিকায়ন ব্যবস্থাপনার অঙ্গীকারও করেছেন হাসান।
ভোটাররা কেন তাঁকে ভোট দেবেন? এমন প্রশ্নের জবাবে হাসান বাংলা ভয়েজ’কে বলেন, যাঁরা সমাজ-শৃঙ্খলা এবং তারুন্যের অগ্রগতি চান, তাঁরা তাঁকে বেছে নেবেন। মেঘনা-দাউদকান্দির গণ্যমান্য মুরুব্বি ভোটাররা সহ নারীদের একটি বড় অংশ তাঁকে ভোট দেবেন বলে আশা করছেন তিনি। কারন বর্তমান এবং সাবেক মিলিয়ে প্রায় ২০-৩০ ইউপি সদস্য হাসানের পক্ষে দিব্য লাঙ্গলের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।
শুধু নিজের পরিচয় এবং যোগ্যতা ছাড়া , পারিবারিক ভাবেও রাজনৈতিক ঐতিহ্যও আছে হাসানের পিতার। তার প্রয়াত বাবা এ.টি.এম আব্দুর রশিদ তালুকদার ১৯৮৩ সালে লাঙ্গলের পক্ষে মজিদপুর ইউনিয়নে নির্বাচন করে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন। এবং তার আগে একটি সরকারি স্কুলে শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন হাসানে বাবা।
কুমিল্লা-১ মেঘনা-দাউদকান্দি এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা বাংলা ভয়েজ’কে
বলেন, তালুকদার সাহেব(হাসানের বাবা) ছিলেন গরিব মানুষের বন্ধু। তাঁকে যেকোনো সময় প্রয়োজনে কাছে যেতো । প্রয়োজনে পাশে পাওয়া যায়। তিনি সবার জন্য কাজ করার চেষ্টা
করতেন সবসময়। হাসানও ঠিক তার বাবার মতই। তাকেও আমরা তার বাবার মতই প্রয়োজনে পাশে পাই।
ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগ-বিএনপির
প্রার্থীর বিরুদ্ধে হাসান কতটুকু ভালো
করতে পারবেন এ নিয়ে স্থানীয় মহলে জোর আলোচনা আছে। এ বিষয়ে বাংলা ভয়েজ’কে হাসান বলেন , ‘আওয়ামী লীগ বিএনপি যাই বলেন নির্বাচন এলে বড় বড় মানুষের পরিচয়
ব্যবহার করে ভোট চাওয়া ছাড়া তাঁদের আর কিছু করার থাকে না। আমি আপনাদেরই সন্তান,ভাই, বন্ধু আমার গায়ে এই এলাকার মাটিরই গন্ধ এবং রক্তে প্রভাবমান আমার পিতার থেকে পাওয়া পল্লিবন্ধু এরশাদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং ভালবাসা। মানুুুষের ভালবাসা এবং এরশাদ স্যারের সুদৃষ্টিতেই আমি ভোটর বাক্সে বিজয়ী হবো। ইনশাল্লাহ